বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলোজী (বিইউএফটি) তে স্প্রিং সেমিস্টার এ ভর্তি চলছে

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলোজীতে (বিইউএফটি)  স্প্রিং সেমিস্টার এ ভর্তির আবেদন ফরম বিতরণ চলিতেছে।

কোর্স ও বিভাগ

প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলোর ফলপ্রসূ বাস্তবায়নের জন্য বিইউএফটিতে রয়েছে যুগোপযোগী বৈশ্বিক চাহিদা সম্পন্ন কিছু প্রোগ্রাম:

পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স

* মাস্টার্স অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং। দুই বছর মেয়াদি ফুল টাইম মাস্টার্স প্রোগ্রামে রয়েছে ৬০টি ক্রেডিট আওয়ার্স। এ জাতীয় কোর্স বিশ্বে আর কোথাও নেই; এটাই প্রথম। এতে করে দেশে দক্ষ মার্চেন্ডাইজারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, দূর হবে আরো শিক্ষিত বেকারত্ব।

আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্স

* ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং। এ কোর্সের মেয়াদ চার বছর।

বি.এসসি (অনার্স) কোর্স

* বিএসসি ইন অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচার অ্যান্ড টেকনোলজি (এএমটি)।
* বিএসসি ইন নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচার অ্যান্ড টেকনোলজি (কেএমটি)।
* বিএসসি ইন ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি (এফডিটি)।
* বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং
* বিএসসি ইন টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট। সব কোর্সই চার বছর মেয়াদি।

ডিপ্লোমা কোর্স

তৈরি পোশাক খাতের বিভিন্ন শাখায় দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করতে বিইউএফটি নিম্ন লিখিত ডিপ্লোমা কোর্স অফার করছে:
* ডিপ্লোমা ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং (ওভেন, নিটওয়্যার অ্যান্ড সোয়েটার)।
* ডিপ্লোমা ইন অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড টেকনোলজি (এএমটি)।
* ডিপ্লোমা ইন অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্রোডাকসন প্লানিং (এইপিপি)। প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ এক বছর।

সার্টিফিকেট কোর্স

উল্লিখিত কোর্স ছাড়াও বিইউএফটি কিছু সার্টিফিকেট কোর্সও অফার করছে।
* সার্টিফিকেট ইন ওভেন গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিং।
* সার্টিফিকেট ইন নিটওয়্যার মার্চেন্ডাইজিং এবং
* সার্টিফিকেট ইন সোয়েটার মার্চেন্ডাইজিং। প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ ছয় মাস।

শর্ট কোর্স

এছাড়া ছয় সপ্তাহব্যাপী কিছু শর্ট কোর্স করা যায় এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এগুলো হলো:

* কম্পিউটার এসিসটেড প্যাটার্ন গ্রেডিং অ্যান্ড মার্কার মেকিং সিএডি-১ এবং
* কম্পিউটার এসিসটেড প্যাটার্ন গ্রেডিং অ্যান্ড মার্কার মেকিং সিএডি-২।

শুধু তাই নয়, এই প্রতিষ্ঠানটি তার শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি বেকার সমস্যা নিরসনে মঙ্গাপীড়িত রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলাসহ উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় বেকার যুবক-যুব মহিলাদের বিনা খরচে থাকা-খাওয়াসহ তৈরি পোশাক শিল্প বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান ও গার্মেন্টস খাতে চাকরির নিশ্চয়তা প্রদানের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও জাতিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবল¤ী^ করতে বিশেষ  ভূমিকা পালন করে আসছে। মূলতঃ বিইউএফটি দেশের পোশাক শিল্প ও ফ্যাশন ডিজাইনের মানোন্নয়ণে শুরু থেকেই কাজ করে আসছে।

বিশ্বমানের ক্যারিকুলাম

প্রতিষ্ঠানটি তার জন্মলগ্ন থেকেই বিদেশি কারিকুলাম অনুসরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে আসছে। বিইউএফটি পরিবর্তিত বিশ্বের নিত্যনতুন পাঠ্য সামগ্রী ও ডিজাইনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বিদেশি পাঠ্য, কারিকুলাম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ল্যাব, লাইব্রেরি ও টিচিং মেথড আধুনিকায়নে বিশ্বের বিখ্যাত কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মানিস্থ খ্যাতিমান নিদারাইন ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্যের শতবর্ষী বিশ্বখ্যাত লন্ডন কলেজ অব ফ্যাশন (এলসিএফ), লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব আর্টস, নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটি ও অস্ট্রেলিয়ান রয়েল মেলবোর্ন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, শ্রীলংকার পনিক্স কলেজ, হংকং-এর পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি অন্যতম। সম্প্রতি ভারতের বিখ্যাত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (এনআইএফটি) সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিআইএফটির প্রেসিডেন্ট মোজাফ্ফর উদ্দিন সিদ্দিক এবং এনআইএফটি, ভারতের মহাপরিচালক মনিকা এস. গার্জ। এই প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকেই জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউএনআইডিও), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, এসইডিএফ, জার্মানির জিআইজেডসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা এই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

মানসম্মত শিক্ষক

বিইউএফটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কোয়ালিটি শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে শুরু থেকেই দক্ষ, অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়ে ক্লাস নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে মানসম্পন্ন শিক্ষক রয়েছে। বেশিরভাগ শিক্ষকই দেশের বাইরে থেকে ডিগ্রি নিয়ে এসেছেন। ফুল টাইম ফ্যাকাল্টি ছাড়াও পার্ট টাইম ফ্যাকাল্টি রয়েছে। দেশের শীর্ষ স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ এখানে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নিয়ে থাকেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রয়াস থাকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চর্চা বিষয়ে। প্রতিষ্ঠানটি সবসময় সাবলীল ও নান্দনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রণয়নের প্রতি সচেতন ও আন্তরিক। প্রতিষ্ঠানটি দৃষ্টি দিচ্ছে শিক্ষকদের সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগী মনোভাব তৈরির দিকেও। শিক্ষানুকূল আধুনিক পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির কোন কার্পণ্য নেই।

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা

প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক মানের ল্যাব, লাইব্রেরি ও ক্লাসরুম। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ল্যাবরেটরি ফ্যাসিলিটিজ, কম্পিউটার ল্যাব, সিএডি ল্যাব ইত্যাদি সুযোগ সুবিধাও দেয়া হয়। পরীক্ষা, নিরীক্ষণ এবং নিয়মিত ক্লাস পরিচালনায় রয়েছে নিবিড় তদারকি। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ল্যাব কার্যক্রমে অতুলনীয় সহযোগিতা দিয়ে থাকেন।

প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ইন্টার্নি করার ক্ষেত্রে বিজিএমইএ’র আওতায় রয়েছে বৃহত্তর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের মতো করে হাতে কলমে, বাস্তবজ্ঞানে সমৃদ্ধ হতে পারছে অতি সহজেই। যে সুযোগ অন্য কোথাও বিরল। প্রতিষ্ঠানটির সীমিত সময়ের এই অগ্রসরতা ও গুডউইলের পিছনে রয়েছে বেশ কিছু বিষয়ের সযতন বাস্তবায়ন। যার নিয়ন্ত্রক, বাস্তবায়ক প্রতিষ্ঠানটির যোগ্য পরিচালনা পর্ষদ।

বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা দেশের ও বহির্বিশ্বের পোশাক শিল্পের বিভিন্ন পেশায় জড়িত হয়েছেন এবং সফলতার পরিচয় প্রদান করেছেন। বিইউএফটিকে একটি বিশ্ব মানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে বিইউএফটি’র পরিচালনা পর্ষদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

যেহেতু তৈরি পোশাক খাতে দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন জনবলের বেশ চাহিদা রয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশের চাকরীর বাজার সময়োপযোগী বিষয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষার ওপরই মূলত নির্ভরশীল। তাই বিইউএফটি থেকে পাস করা ছাত্রছাত্রীদের চাকরী পেতে তেমন অসুবিধা হয় না। শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারছেন বলেই তারা সহজে চাকরী পাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটির রেপুটেশন তথা শিক্ষার্থীদের মানের কারণেই রেজাল্ট পাবলিশ্ড হবার আগেই এবং এখন ইন্টার্নি করার সময়ই ৯৫ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী সঙ্গে চুক্তি হয়ে যায় চাকরির ব্যাপারে।
জানতে চাওয়া হলে এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং-এর ছাত্র রাহি বলেন, বস্ত্র ও পোশাক খাত সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়ে দক্ষ জনবলের অভাব। বিইউএফটি’র মতো এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগটি সত্যিই যুগোপযোগী একটি সিদ্ধান্ত। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের প্রত্যেকেই অনেক দক্ষ এবং যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং কোর্সটি বাংলাদেশে একমাত্র বিইউএফটি’তেই আছে। যারা বিআইএফটিতে ভর্তি হয়ে পাস করেছে তারা অনেকেই এখন এ প্রতিষ্ঠানের ফ্যাকাল্টি হয়েছেন। তারা সবাই যথেষ্ট আন্তরিক। এই প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করার পর বেকার বসে আছে এমন কোন ইতিহাস আমার জানা নেই। প্রতি বছর বিজিএমইএ আয়োজিত বাটেক্সপো ফ্যাশন শোতে বিইউএফটি’র শিক্ষার্থীদের ডিজাইন করা লেটেস্ট পোশাক ও মডেলদের ক্যাট ওয়াক বেশ প্রশংসিত হয়। ফ্যাশন শো দেখলে মনে হয় আমরা অন্যান্য দেশ থেকে কোন অংশে পিছিয়ে নেই, বরং আমাদের তরুণ ডিজাইনাররা নিজস্ব ঐতিহ্যের আদলে আরও নতুন আরও ব্যতিক্রম।

ডিপ্লোমা ইন অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচার অ্যান্ড টেকনোলজির (এএমটি) পঞ্চম সেমিস্টারের ছাত্র চয়ন বলেন, ডিপ্লোমা ইন অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচার অ্যান্ড টেকনোলজি এই ইউনিভার্সিটির সবচাইতে পুরনো বিষয় এবং সমৃদ্ধ একটি বিষয়। বস্ত্র এবং তৈরি পোশাক খাতে উন্নয়ন এবং বিকাশে আমাদের এই ইউনিভার্সিটি শুধু বাংলাদেশ নয়  বরং বিশ্বখ্যাত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সাইদ মাসুদ হুসাইন এবং প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান তারা দুজনেই এ ট্রেন্ড-এ খুবই বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট প্রধান এবং ফ্যাকাল্টি  শিক্ষক যারা আছেন তারা সবাই অত্যন্ত দক্ষ এবং এই ট্রেন্ড এ খুবই সমৃদ্ধ এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খুবই আন্তরিক। আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে খুবই সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক মানের লাইব্রেরি। এখানকার লাইব্রেরিয়ান মোঃ আতিকুল ইসলাম (আতিক) খুবই দক্ষ এবং দক্ষতার সঙ্গে তার কাজ পরিচালনা করে আসছেন। তারা জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি থাকায় প্রতিবছরই কিছু কিছু ছাত্র-ছাত্রী ক্রেডিট চেঞ্জ করে বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা করে আবার ফিরে আসছেন। এ প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কমন রুম ব্যবস্থা, কালচারাল ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, ড্রামা ক্লাব স্পোর্টস ক্লাবসহ সব ধরনের এক্সট্রা কারিকুলাম একটিভিটিস।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের একটি ব্যতিক্রমধর্মী  প্রতিষ্ঠান গড়ার পেছনে বিজিএমইএর উদ্যোগটি একটি সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী উদ্যোগ। এ উদ্যোগ দেশের বিরাট বেকার শিক্ষিত যুব সমাজের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ন্যায়। আশা করা হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানটিকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার যা হবে আন্তর্জাতিক সমমানের এবং যে সুযোগকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশ যাওয়া হবে স্রেফ বোকামি।

আবেদন গ্রহনের শেষ তারিখঃ ০৪ জানুয়ারী , ২০১৮
(সরকারী ছুটি ব্যতিত প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে বিকাল ৫ টা টা পর্যন্ত ভর্তি ফরম বিতরণ করা হয়। )

মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও টিউশন ফি রেয়াতের সুযোগ।

যোগাযোগ :

BUFT
105 এস।আর টাওয়ার
সেক্টর ৭,
উত্তরা মডেল টাউন , ঢাকা -১২৩০

Tel: 58950986, 58950987 & 48950535
Email: info@buft.edu.bd

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *