“বিবি রাসেল,ফ্যাশন ডিজাইনের নক্ষত্র”

ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব মাসুমা বিবি রাসেল ছিলেন টিকাটুলীর কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরে তিনি গার্হস্থ্যঅর্থনীতি কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৭২ সালে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে লন্ডন কলেজ অব ফ্যাশনে পড়তে যান তিনি। একই সঙ্গে শুরু করেন মডেলিং। ভোগ, কসমপলিটান প্রভৃতি ম্যাগাজিনে মডেল ছিলেন। ১৯৭৫ সালে নিজের স্নাতক প্রদর্শনীতে নিজেই মডেলিং করে হৈচৈ ফেলেন। ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবেও ওইসময় তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৯৪ সালে স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে নিজের প্রতিষ্ঠান বিবি প্রডাক্টসের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফ্যাশন, বস্ত্রশিল্পও হস্তশিল্প উন্নয়নেকাজ করে যাচ্ছেন। যুক্তরাজ্যের অভিজাত ফ্যাশন ম্যাগাজিক ‘ইলি’ বিবি রাসেলকে ১৯৯৭ ‘ওম্যান অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করে। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর বিশেষ দূত হিসেবে ‘ডিজাইনার ফর ডেভেলপমেন্ট’ ধারণা নিয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালে লাভ করেন ইউনেস্কো পিস প্রাইজ। ২০০৮ সালে তিনি জাতিসংঘের এইডসবিষয়ক শুভেচ্ছা দূত নিযুক্ত হন। ২০১০ সালে স্পেন সরকার তাকে সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘ক্রস অব অফিসার অব দ্য অর্ডার অব কুইন ইসাবেলা’ প্রদান করে। একই বছর বাংলা একাডেমী তাকে সন্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে। ২০১১ সালে তিনি জার্মানির’ভিশন অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। একই বছর ইতালিতে অনুষ্ঠিত বায়োগ্রাফ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে তার ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘সিল্কেন সিনার্জি’ অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *